Code

Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu

Second Header

Drop Down MenusCSS Drop Down MenuPure CSS Dropdown Menu
Showing posts with label যোগাযোগ করুন. Show all posts
Showing posts with label যোগাযোগ করুন. Show all posts

Thursday, August 13, 2015

বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন

বানিজ্যে বসতেঃ লক্ষ্মী

শুনতে একটু অবাক লাগছে? ভাবছেন হয়ত বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না তো?

এত ভাবার কোনও কারণ নেই। আপামর জনসাধারণের বিশ্বাস "বানিজ্যে বসতেঃ লক্ষ্মী"। বাঙালি ব্যবসা-বিমুখ- এই তকমা অনেকদিন হল গেছে। যেখানে গ্রাম থেকে শহরে নতুন নতুন চিন্তা- প্রচেষ্টা- উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়ছে, সেখানে আমরাই বা কেন পিছিয়ে থাকব, পিছিয়ে যাব তাদের কথা বৃহত্তর বঙ্গ-সম্প্রদায়ের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে? 

আপনি যদি কোনও ব্যবসা- বাণিজ্যের সাথে যুক্ত থাকেন, তাহলে আমাদের পাঠাতে পারেন আপনার বিজ্ঞাপনের তথ্য ( নাম, ঠিকানা, বিবরণ, লোগো/ প্রতীক, যোগাযোগ ইত্যাদি) আমাদের E-দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com।
সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আপনার ব্যবসায়িক/ বিজ্ঞাপনের তথ্য প্রকাশিত হবে আমাদের পত্রিকায়। পৌঁছে যাবে ওয়েব দুনিয়ায় ছড়িয়ে থাকা অজস্র বঙ্গবাসীর কাছে। 

এমনকি আপনার জানা পরিচিত কারও কোনও উদ্যোগ থাকলে তাও আমাদের জানাতে পারেন।
আপনার ব্যবসায়িক সাফল্যের কাহিনী আমাদের সাথে ভাগ করে নিতে পারেন ১০০০ শব্দের মধ্যে। হতে পারে, তা উদ্বুদ্ধ করবে অন্য সকলকে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য -আপনার পাঠানো বিজ্ঞাপন, প্রকৃত অনুসন্ধানের সাপক্ষে প্রকাশিত হবে। দয়া করে কোনও আর্থিক লেনদেন, পত্র-মিতালি, চাকরি সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন পাঠাবেন না।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

ছোটদের জন্য

খেলনাবাটি

কেমন আছো ছোট্ট বন্ধুরা? মনে আছে তো পূজোর কথা? মা দুর্গা সিংহের পিঠে চেপে আবার আসছেন মর্ত্যে আমাদের সাথে দেখা করতে। সঙ্গে তার পুরো পরিবার। নাদুস নুদুস গণেশ, বুদ্ধিমান কার্ত্তিক, জ্ঞানের দেবী সরস্বতী আর ধনদাত্রী মা লক্ষ্মী; সঙ্গে তাদের আরও চার বাহন। আর আসছে দুষ্টু মহিষাসুর। কেমন কাটতে চলেছে তোমার এবারের পূজো? কি এবারের প্ল্যান? মা-বাবার সাথে গতবার কোন কোন প্যান্ডেল দেখা হয়েছিল? আর এবারেই বা কোথায় কোথায় কোথায় যাবে? নতুন জামা- ফ্রক- ঘড়ি সব হয়েছে তো? দাদু-দিম্মা কবে আসছেন? অথবা এবারে মা-বাবার সাথে অন্য কোথাও দূরে যাবার প্ল্যান- ঘুরতে যাচ্ছ?

উফ! কত প্রশ্ন তাই না? কিন্তু আমাদের প্রশ্ন তোমাকে নিয়ে। তোমার "পূজোর প্রস্তুতি" আমাদের লিখে পাঠাও। যদি আঁকতে ভালোবাসো তাহলে চটপট রং পেন্সিল/ জলরং দিয়ে এঁকে ফেলো "দুর্গা মায়ের ছবি" আর পাঠিয়ে দাও আমাদের। তোমার কোনও পুরনো ছবি, কবিতা থাকলে তাও পাঠাতে পার। আরও আছে, তোমার আবৃত্তি, গান ভাল লাগলে রেকর্ড করে ফেলো আর সকলকে শোনাতে আমাদের পাঠাও। তোমার সব লেখা, গান ছবি প্রকাশিত হবে আমাদের পত্রিকায় আর পৌঁছে যাবে তোমার মত আরও কত ছোট্ট বন্ধুদের কাছে। কি, পাঠাবে তো?

আমাদের E-দপ্তরের ঠিকানা info.amarbanglavasa@gmail.com । আমরা তোমার জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

বিশেষ দ্রষ্টব্য - শুধুমাত্র নার্সারি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য।

ভালবাসা জানিয়ে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

রাঁধুনি

লা জাবাব!

বেলা আটটা বেজে গেছে। আজও মনে হচ্ছে ইমনের দেরী হয়ে গেল। চটপট কিছু একটা টিফিনে তৈরি না করে দিলে, ছোটবাবুর আবার বড্ড রাগ হবে। কর্তাও বেশ ব্যস্ত হয়ে পায়চারি করছেন, "ওগো, রান্নাটা হল? আজ সকাল সকাল অফিস যাবার ছিল। মিটিংটা মনে হচ্ছে..."। সর্ষের ঝাঁজ হোক, অথবা মশলার নিপুণ পরত; পারমিতা কিন্তু রান্নাটা খুব মন দিয়ে করে। বলা ভাল, করতে ভালবাসে। তবে সেটা আজকে থেকে নয়। বিয়ের আগে, আর পাঁচটা বনেদি বাড়ির মেয়ের মত মায়ের কাছে শিখেছিল রান্নার হরেক রকম পদ। আর ছোট্ট ইমন ও স্বামী অভিজিতের আবদারে সেই হাত আজ পাকা রাঁধুনিকেও হার মানাবে। ইলিশের টক, মাছের ডিমের পুর দিয়ে রোল, অথবা মোগলাই পরোটার সাথে মেক্সিকান চিলি চিকেন, ফিউশন মিষ্টি থেকে মালাইয়ের পায়েস সবই শিখেছে বই পড়ে নাহলে প্রতিবেশী ঘোষাল গিন্নির থেকে। ও হ্যাঁ! শাশুড়ি মা-র কথা তো ভুলেই গেলাম। তিনিও কিছু কম যান না। খুন্তি হাতে আধুনিকা বউমা কে কখনও হেলায় দেন পাঁচ গোল- চিতল মাছের মুইঠ্যা, কাজলি মাছের কোপ্তা।

আচ্ছা, আপনিও কি রাঁধতে ভালবাসেন? মশলা নিয়ে খেলতে খেলতে তৈরি করতে ভালবাসেন নতুন পদ? একটু পরীক্ষা নিরীক্ষা থেকে আনতে পারেন জিভে জল আনা স্বাদ? তাহলে দেরী কেন? চটপট লিখে ফেলুন আপনার পছন্দ সই রেসিপি। আর পাঠিয়ে দিন আমাদের E-দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com আপনার নাম ও রন্ধন-প্রণালী সহ। আপনার লেখা প্রকাশিত হবে আমাদের পত্রিকায় আর জিভে জল আনবে আপামর বাঙালির।

আর যদি মনে করেন, লিখতে চান নিয়মিত, তাহলে সেটাও আমাদের জানান। আমরা বানিয়ে দেব আপনার নিজস্ব পেজ যেখানে আপনি সবাইকে জানাবেন রান্নার খুঁটিনাটি আর টিপস। অপেক্ষায় রইলাম।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

রূপচর্চা

রুপোলী

নিজেকে ভালবাসেন খুব? সাজিয়ে রাখতে ভালবাসেন নিজের রূপকে? মেয়েকে স্কুলে দিতে যাবার আগে হাল্কা শাড়ি ও সাজগোজ, অথবা অফিসের জন্য নিতান্তই কর্পোরেট লুক। গয়নার স্কিমে ভালবাসেন একটু একটু করে টাকা জমাতে, আবার বিয়ে বাড়ি যাবার আগে পড়তে ভালবাসেন শেষ বারের পুজোয় মায়ের দেওয়া নতুন জামদানী। অথবা কোনও অলস দুপুরে বন্ধুদের সাথে "ওর" জন্য টুকটাক শপিং , সালন- এতে একটু স্পা।

আপনিও কি সেই "তিলোত্তমা" দের মধ্যে একজন? জানাতে চান আপনার রূপসজ্জার অজানা কথা, টিপস অথবা নতুন কোনও প্রসাধনের খোঁজ? লিখুন আপনার নিজের কলামে। নাম ও তথ্য সহ পাঠিয়ে দিন আমাদের E- দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com। আপনার জানানো কথা প্রকাশিত হবে আমাদের পত্রিকায় আর পৌঁছে যাবে বঙ্গনারীর রূপচর্চার "অন্তরমহলে"।

*পরিচয় গোপন রাখতে/ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলেও আমাদের জানান। আমরা তার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করব।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-নবপত্রিকা

কোজাগরী

তাহাদের কথা

"তাহাদের" বলে কাউকে আলাদা করে উল্লেখ করতে চাই না। তবে অবশ্যই "তাহাদের" অবদানের কথা সাদরে স্বীকার করতে চাই। "কোনও এক গাঁয়ের বধূ" থেকে "আধুনিক বঙ্গ-ললনা" হয়ে ওঠার মাঝে শুধু অনেকগুলো বছরই নয়, ঘটে গেছে অনেক সামাজিক দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তন। ঘোমটার "সাংস্কৃতিক" বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে "তাহারা" হাতের মুঠোয় ধরেছে স্মার্টফোন । রূপচর্চা, মডেলিং, ফ্যাশান, প্রসাধন সবেতেই শুধু আধুনিকতা নয়, এসেছে নতুন ভাবনার জোয়ার। পছন্দ পালটে গেছে অনেকটাই। আর সেই পছন্দ আর শুধু মাত্র অঙ্গ সজ্জাতেই সীমাবদ্ধ নেই, আজ তা অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সংস্কৃতির দিক- প্রদর্শক ও বটে। একটু "পুরুষতান্ত্রিক" মনভাবাপন্ন কেউ কেউ এই মতামতের বিরোধিতা করতেই পারেন, তবে আমাদের ভাবনা স্পষ্ট। যাত্রা- বিনোদন- এমনকি বর্তমান রাজনীতিতেও তার "দিদি"- সুলভ আধিপত্য বঙ্গসমাজে নতুন মাত্রা এনেছে। এহেন বঙ্গনারীর জীবনযাত্রার মানের আমূল পরিবর্তনও দেখার মত। রোজগেরে গিন্নি থেকে সদ্য প্রেমে পড়া তরুণী প্রত্যেকেই নিজের জীবনযাত্রা, তার মান, নিজের সঙ্গী ইত্যাদি নিয়ে বেশ সজাগ ও রুচিশীল।

আপনি কি তাদেরই একজন? নিজের নারী - বোধের প্রতি এক অন্য আবেগ অনুভব করেন? এখনও দুপুরবেলা একটু অবসর বার করে নেন গুনগুনিয়ে গানের জন্য? ডাইনিং টেবিল থেকে শোয়ার ঘর, ইতি-উতি আসবাব সাজাতে ভাল লাগে? নিজের সংসারটাকে বেশ পরিপাটি করে সাজিয়ে নেবার পরও নতুন কিছু লেখা, গল্প, ভাবনা ভাগ করে নিতে চান?
আমরা শুনব আপনার কথা।

আপনার ভালোলাগা, ভালোবাসা, মতামত, অথবা নিছক কবিতা-গান- আবৃত্তি আমাদের পাঠান। পাঠান আপনার রূপসজ্জার খুঁটিনাটি, হেঁসেলের খবর, অথবা নিজের আদর্শ জীবনসঙ্গী সম্পর্কে আপনার মতামত। আমাদের জানান আপনি কেমন দেখেন এই শহর কলকাতা কে, অথবা আপনার প্রবাসী জীবনের কথা। ভাগ করে নিন, আপনার জীবনের সাফল্য, উদ্বুদ্ধ করুন সবাইকে নতুন ভাবনার সাথে।

আপনার নাম/ ঠিকানা সহ লেখা/ (গান/ আবৃত্তি) রেকর্ডিং (mp3 format) পাঠান আমাদের E-দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com। নিয়মিত লিখতে আমাদের সদস্য পদ গ্রহন করুন বিনামূল্যে আপনার ই-মেল এর মাধ্যমে।

আমরা রইলাম "তাহাদের" অপেক্ষায়।

*পরিচয় গোপন রাখতে/ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলেও আমাদের জানান। আমরা তার সম্পূর্ণ ব্যবস্থা করব।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

আমাদের পাড়া

আপনার দরবার

আপনার পাড়াটা কেমন? আমাদের জানতে ইচ্ছে হয়। হ্যাঁ সত্যি! আমরা চাই মানুষের ভিড়ে মিশে যেতে। তাই জানতে চাই আপনার চোখে আপনার পাড়ার কি ঐতিহ্য? অবশ্যই জানতে চাই, কি হলে আরও ভাল হতে পারত? কি হয়নি? ক্ষোভ- অনুযোগ সব কিছু খোলাখুলি ভাগ করে নিন সবার সাথে।আপনার এলাকায় কোনও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, রক্তদান শিবির অথবা সার্বজনীন/ধর্মীয় আচার পালিত হছে? অথবা কোনও স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান?

নাম, বিবরণ, ঠিকানা, ছবি/ সেলফি সহ আমাদের লিখে পাঠান আমাদের E- দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com। আমরা তুলে ধরব তা বৃহত্তর সমাজের কাছে।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

আড্ডা

বৈঠকি কথা

আচ্ছা রাজনীতি আর বাঙালি কে আলাদা করে দিলে কেমন হবে? অথবা যদি কুয়াশা -ভেজা ভোরবেলা যদি না আর চায়ের দোকানে জ্বাল পড়ে? কেমন হবে যদি বাঙময় বাঙালি সাতে-পাঁচে ঘোরে-আর-প্যাঁচে তার মতামত না ব্যক্ত করতে পারে?
আর যাই হোক, এটা সম্ভব নয়। কোনও কালেই ছিল না। আড্ডা প্রিয় বাঙালির 'চায়ের ঠেক' যেমন ছিল রসিকতার কারখানা, আজও তেমনি আছে। তবে শুধু রসিকতা বা সংস্কৃতি চর্চা নয়, বঙ্গ- রাজনীতির হিসেব-নিকেশও একদা নিয়ন্ত্রিত হত এমন আলোচনা সভা থেকেই। আপনার মধ্যে কি সেই 'মানুষ' আজও বিদ্যমান? আমরা খুঁজছি তাকে।

চায়ের দোকানে আড্ডা দেন? কখনো বন্ধু- স্বজন দের সাথে, কখনো হয়ত অজানা আগত উত্সাহী মানুষের সাথে। হয়ত বাসে-ট্রামে জমে যায় তর্ক-আলোচনা ? রাজনীতি-সমাজ-স্বাস্থ্য-শিক্ষা-বিনোদন আরো কত কিছু। কখনো নরমে-গরমে, আবার কখনো নেহাত বৈঠকি মেজাজে পাড়ার রোয়াকে। আপনার চিন্তা-বক্তব্য-মতামত এই সমাজের প্রতিবিম্ব। আমাদের আসে-পাশে ঘটে চলা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আপনার মতামত প্রকাশ করুন আমাদের পত্রিকায়। তা হতে পারে এমন কিছু যা ভালো হতে পারে, এমন কিছু যেখানে সাহায্যের প্রয়োজন, এমন কিছু যেখানে সমাজের উন্নতি জড়িয়ে আছে, জড়িয়ে আছে শিক্ষা - স্বাস্থ্যের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

লিখে পাঠান আমাদের E-দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com। অথবা মতামত প্রকাশ করুন বিভিন্ন প্রতিবেদন/প্রকাশিত লেখার সাথে কমেন্ট এর মাধ্যমে। আপনার কথা সবার কাছে পৌছে দেব আমরা।

নিয়মিত লিখতে চাইলে বিনামূল্যে সদস্য-পদ গ্রহণ করুন এবং আপনার লেখার বিষয় লিখে পাঠান। একটি সম্পূর্ণ পাতা খুলে দেওয়া হবে আপনার লেখার বিষয়ের ওপর, যেখানে আপনি নিয়মিত লিখতে পারবেন ও পাঠকদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

কবিতা

আবার তুমি কবিতা

বাঙালির কাব্য রসনা তৃপ্ত করা মুখের কথা নয়। সে আদি গীতগোবিন্দ হোক, কিম্বা গীতাঞ্জলী। সুখে-দুখে-স্বাধীনতায়-আবেগে কবিতার লাইনে বয়েছে কালবৈশাখী। কখনও বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়েছে কোনও প্রেমিক দুপুরে, কখনও তা হয়েছে চিলে কোঠার ছাদে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্তের আবৃত্তি। তাই ফিরে এলাম সেই বাঙালির কাছে। আমরা পেরেছি, আমরাই পারব।

কবিতা লেখেন? ছন্দ সহ বা ছাড়া। অথবা কোনো পুরনো ডায়েরি তে জমে থাকা কবিতা। পুরনো হোক বা নতুন, আপনার ভালোলাগা ভালোবাসা জড়িয়ে রয়েছে তার সাথে। জড়িয়ে আছে আপনার আবেগ। আমরা সমাদর করি আপনার কবি-সত্তার। আপনি যদি নাও বা লেখেন, আপনার জানা পরিচিত কেউ এমন আছে, যিনি ভালবাসেন সমাজ-প্রেম-জীবন নিয়ে কবিতা লিখতে? অথবা হয়ত আপনিই ভাবছেন আবার শুরু করবেন লেখা, নতুন করে। তাহলে, লিখে পাঠান আপনার অপ্রকাশিত কবিতার গুচ্ছ; আমরা তা পৌঁছে দেব কবিতাপ্রেমী সাধারণের কাছে।

নাম ও বিবরণ সহ যোগাযোগ করুন আমাদের E-দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com ।
এমনকি নিয়মিত লিখতে চাইলে বিনামূল্যে সদস্য-পদ গ্রহণ করুন এবং আপনার লেখার বিষয় লিখে পাঠান। একটি সম্পূর্ণ পাতা খুলে দেওয়া হবে আপনার কবিতার বিষয়ের ওপর, যেখানে আপনি নিয়মিত লিখতে পারবেন ও পাঠকদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন।

আমরা রইলাম আপনার অপেক্ষায়।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

ক্যানভাস

ছবিকথা

ছবি অনেক কথা বলে, তাই না? কখনও আলো ছায়া, কখনও রোমান্টিকতা, কখনও বা প্রতিবাদের অঙ্গীকার। কখনও তা সমাজের কাছে বৃহত্তর প্রশ্ন, কখনও তা বৃষ্টি- সিক্ত বিকেলের মন ভেঙ্গে যাবার কথা। কখনও তুলির টানে রঙের বিদ্রোহ, অথবা নেহাত পেন্সিলের টানে হঠাত এঁকে ফেলা "তার" স্কেচ। আবার তা কখনও ক্যামেরায় বন্দী কুমারটুলি- বাগবাজার। এ শহর গল্পের কারখানা। আর সেই গল্পরা আরও সজীব হয়ে ওঠে এইসব ছবির আলোয়। 

আর আমরা খুঁজছি সেই ছবি।

আজ শিল্পীর ভিড় কম নয় এই শহরে। তাদের মধ্যে একটু আলদা করে চিনতে, আমরা দিচ্ছি সুযোগ। আপনার আঁকা/ তোলা ছবি পাঠিয়ে দিন আমাদের E- দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com নাম ও বিবরণ সহ। আঁকা ছবির ক্ষেত্রে স্ক্যান করে ছবি পাঠান। আপনার ছবি প্রকাশিত হবে আমাদের পত্রিকায় আর পৌঁছে যাবে অসংখ্য সৃষ্টি প্রেমী মানুষের কাছে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য - ১) ছবিগুলি যেন আপনার আঁকা/ তোলা হয়। ছবি প্রকাশিত হবার আগে তার তথ্য অনুসন্ধান করা হবে।
২) আপনার দেওয়া ছবি আমাদের অমুল্য সম্পদ। তাই সমস্ত ছবি আপনার কপিরাইটেড হবে।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

গল্প

কলম ও কাগজ

গল্প! তবে সেই গল্পের খোঁজ করছি যাতে জড়িয়ে আছে জীবন। নিছক কল্পনা নয়, বাস্তব যেখানে ধরা দিয়েছে পাতায় পাতায়। যারা বঙ্গ-সাহিত্যকে একসময় পরিপুষ্ট করেছেন, তাদের অনেকেই আজ আমাদের মধ্যে নেই। তা বলে কি সাহিত্য থেমে থেকেছে? প্রতিদিন আমার আপনার মাঝখান থেকে উঠে আসছে নতুন মুখ। আপনার মধ্যেও কি এমন কোনও লেখক লুকিয়ে আছে?

আপনি লিখতে ভালবাসেন? কখনো কোনো দলছুট দুপুরে বসতে ইচ্ছে করে জানালার পাশে আনমনা হতে? লিখতে ইচ্ছে হয় পাতার পর পাতা কোনো জীবন-স্মৃতি নিয়ে? হয়ত রোজকার জীবনের থেকে নেওয়া কিছু মুহূর্ত, আবার কখনো বাসের জানলা দিয়ে বয়ে আসা বৃষ্টি-ভেজা হাওয়া।কখনো শত বাধাতেও উঠে দাড়ানোর গল্প , কখনো অনেকদিন পর আবার কাউকে ফিরে পাবার আস্বাদ, আবার কোনদিন অফিস ফেরত ময়দানের গল্প। আমাদের জীবন এমন অনেক গল্পে মোড়া। হয়ত ভাবনা হয়ে আছে মনের অন্দরে। এবার তার পাখা মেলার পালা।

মনের মধ্যে গল্প দানা বেঁধেছে ?নাম ও বিবরণ সহ, ২০০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠান আমাদের E-দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com । আপনার লেখা প্রকাশিত হবে আমাদের পত্রিকায় , পৌছে যাবে অজস্র বিশ্ব-বাঙালির কাছে।

নিয়মিত লিখতে চাইলে বিনামূল্যে সদস্য-পদ গ্রহণ করুন এবং আপনার লেখার বিষয় লিখে পাঠান। একটি সম্পূর্ণ পাতা খুলে দেওয়া হবে আপনার লেখার বিষয়ের ওপর, যেখানে আপনি নিয়মিত লিখতে পারবেন ও পাঠকদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবেন।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা

লেখনী

নিয়মিত লেখক হন!

আপনি কি নিয়মিত লেখেন? গল্প-প্রতিবেদন-আলোচনা-বিতর্ক-কবিতা এসব কি আপনাকে ভাবায়? কখনও মুহূর্তরা গল্প হয়ে ধরা দেয়, আবার কখনও তা কবিতা হয়ে বৃষ্টির মত ঝরে পড়ে? অথবা আপনি বলতে চান অনেক কিছু, মনের মধ্যে তিলতিল করে জমে আছে কোনও দ্বিতীয় বসন্তের কথা। মতামত জানাতে চান আপনার আশেপাশে ঘটে চলা সামাজিক- রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্পর্কে? অথবা শুধুই ভালবাসেন আঙ্কতে-গান গাইতে- আবৃত্তি করতে। আমরা সম্মান জানাবো আপনার নান্দনিক চিন্তাবোধের।

অনলাইনে আপনার ই-মেলের মাধ্যমে সদস্য পদ গ্রহণ করুন, এবং নিয়মিত লিখুন নিজের কলামে।
আবেদন করুন আপনার পছন্দের বিষয় নিয়ে ১০০ শব্দের মধ্যে আর পাঠিয়ে দিন আমাদের E-দপ্তরে info.amarbanglavasa@gmail.com । 

আমরা তৈরী করে দেব আপনার নিজস্ব পেজ যেখানে থাকবে আপনার লেখা। গান/আবৃত্তি এর রেকর্ডিং পাঠান mp3-ফরম্যাটে। আপনার নাম, বিবরণ অবশ্যই উল্লেখ করবেন।

আমরা রইলাম আপনার অপেক্ষায়।

ধন্যবাদান্তে,
সম্পাদক-
নবপত্রিকা